কনটেন্টে যান

P automation

কোথায় যেতে চাই আমরা?

আমার চোখের সামনে বেশ দ্রুতই অনেকগুলো কাজই অটোমেট হয়ে যাচ্ছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে এই কাজগুলোকে আমরা আগে হাইটেক ইন্ডাস্ট্রির অংশ হিসেবে জানতাম। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা এখন চলে আসছে অনেক “লো এন্ড” ডিভাইসে। তাহলে যারা এই মুহূর্তে কাজগুলো করছেন তাদের কি হবে?

এ ব্যাপারে আমি প্যানিক হবার কিছু দেখি না। আগে যেভাবে টাইপিস্ট পদ নিজে থেকেই কম্পিউটার অপারেটরে কনভার্ট হয়েছিলেন, সেই হিসেবে বর্তমান নলেজ ওয়ার্কাররাও রি-স্কিলিং এর আওতায় সামনের ভবিষ্যতকে সামলাবেন। তবে নতুন স্কিল অর্জন করা অনেকটাই “মাইন্ড গেম।” ট্রাস্ট মি!

AI will not replace individuals. But, people effectively utilizing AI as a tool to replace certain functions or roles will replace humans who don’t. নেটওয়ার্কের “লো হ্যাংগিং ফ্রুট” (বেসিক) কাজগুলো যেহেতু অটোমেশনের মধ্যে চলে যাবে, তখন অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা বাড়বে। এর অর্থ হচ্ছে একটা জব চলে যাবে, সেই জায়গায় আরো কয়েকটা জব তৈরি হবে। সেই জবের জন্য আমরা তৈরি তো?

  • নেটওয়ার্ক অটোমেশন নিয়ে আমার আট নম্বর বই আসছে সামনে। সঙ্গে যোগ হবে প্রচুর ভিডিও “রোড টু হাইটেক ইন্ডাস্ট্রি” সিরিজে।

কেন অটোমেশন প্রয়োজন?

সফটওয়্যার এর ইম্প্যাক্ট, পৃথিবীজুড়ে

সফটওয়্যারই সবকিছু!

Why Software Is Eating the World?

-- Marc Andreessen

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং নিয়ে গত সাতটা বই লেখার সময় যে জিনিসটা আমি বারবার লিখেছি "সফটওয়্যার ইজ ইটিং দা ওয়ার্ল্ড"। কথাটা হচ্ছে নেটস্কেপের উদ্ভাবক মার্ক এনড্রিসেন, ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট এর কথা। এর সাথে আমি যোগ করেছি, 'এআই ইজ ইটিং দ্য সফটওয়্যার'।

সফটওয়্যার আসলে আমাদের প্রতিদিনের দৈনন্দিন কাজে কোন না কোন ভাবে স্পর্শ করছে। ধরুন,

  1. আজকে আপনার বাসায় রান্না করতে ইচ্ছা করছে না, বাসায় বসে বাইরের খাবার অর্ডার দিতে দরকার আপনার ফুড পান্ডা অথবা পাঠাও ফুডের মত সফটওয়্যার।

  2. আপনার বন্ধুদের সাথে ভার্চুয়ালি আড্ডা দিতে চাচ্ছেন, এখানে আপনি ফেইসবুক অথবা জুমের মত কনফারেন্স সিস্টেম ব্যবহার করবেন।

  3. ট্যাক্সি ডাকতে চান, সেটার জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হচ্ছে সফটওয়্যার।

  4. বাজারের ভিড় বাট্টা আপনার ভালো না লাগলে অর্ডার করতে পারেন অনলাইন শপে। হাজারো রিভিউ এর পাশাপাশি ভার্চুয়ালি প্রোডাক্ট কে ৩ ডাইমেনশন ভিউ দিয়ে দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে সফটওয়্যার।

এখানে যে জিনিসটা আমরা বুঝতে পারছি যে এই কোম্পানিগুলো প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সার্ভিস নিয়ে আসছে যেটা আমাদের প্রতিদিনের জীবনকে এনহ্যান্ডসড করছে, তারা সবাই সফটওয়্যার ব্যবহার করছে। মজার কথা হচ্ছে এদের মধ্যে বেশিরভাগ কোম্পানি দশ বছর আগে কোন অস্তিত্ব ছিল না। বর্তমান যুগ অনেকটাই ডায়নামিক এবং এই ডায়নামিক কাজের পেছনে সফটওয়্যার এবং প্রযুক্তি লিড দিয়ে যাচ্ছে।

প্রায় প্রতিদিনই অনেক স্টার্ট কোম্পানি জন্ম নিচ্ছে যাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে কিভাবে সনাতন কোম্পানিগুলোর সাথে টেক্কা দেওয়া যায়। এর পেছনে রয়েছে সফটওয়্যার। এর পাশাপাশি সনাতন কোম্পানিগুলো টিকতে পারছে না যদি তারা সফটওয়্যারে হাত না দেয়। আজকে সিসকো'র মত নেটওয়ার্কিং কোম্পানিও সফটওয়্যার ভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাইবার সিকিউরিটি সলিউশন নিয়ে কাজ করছে শুধুমাত্র এক্সিসটেন্স এর কারণে। নেটওয়ার্কিং কোম্পানি গুলো ঢুকে পড়ছে সফটওয়্যার ভিত্তিক সলিউশন দেবার জন্য। আগে যেখানে তারা স্পেসফিট হার্ডওয়ার নিয়ে কাজ করতো সেখানে তারা কমার্শিয়াল অফ দ্য সেলফ হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে নিজস্ব সফটওয়্যার তৈরিতে ঝুঁকছে।

মানুষ কি রিপিটেটিভ কাজ করতে চায়?

মানুষ মাত্রই ফাঁকিবাজ। তবে সেই ফাঁকিবাজের কাজটা আর্টের পর্যায়ে পড়ে যায় তখন সে বুদ্ধিমান হয়। ধরা যাক, সকালে অফিসে গিয়ে আপনার কাজ হচ্ছে, বাইশটা রিপোর্ট কম্পাইল (গত ২৪ ঘন্টার সমস্যা এবং কিভাবে সেটাকে সমাধান করা গেছে) করে সেটার আউটকামগুলোকে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে ইমেইল করা। সাধারণত: মানুষ হিসেবে এটা করতে আপনার লাগতো তিন ঘন্টা। আপনি যদি অটোমেশনের ব্যবহার করেন প্রতিটা স্টেজে, মিনিট ডিটেইলে (সম্ভব) তাহলে আর এই তিন ঘণ্টা সময় লাগে না।

৫টা বিষয়

  • আমাদেরকে স্কেলে খেলতে পারতে হবে

  • ৩৬৫/২৪/৭ সংযোগ ম্যানেজমেন্ট ম্যানুয়ালি সম্ভব নয়


  1. আমার কাছে প্রচুর ডাটা থাকলেও সেটাকে ব্যবহার করছি না, গদ্যের যাতে ছন্দপতন না হয়। ↩

  2. সামনে আসবে। ↩