হাতেকলমে ফরওয়ার্ড ডেপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ারিং (FDE)¶
সফটওয়্যার আর্কিটেকচার থেকে কাস্টমারের গ্রাউন্ড রিয়েলিটি
লেখক: রকিবুল হাসান (Rakibul Hassan)
অনলাইন ও প্রিন্ট বইয়ের পার্থক্য কী?
যখন বই লিখি, তখন মনের মাধুরী মিশিয়ে আকাশকুসুম চিন্তাভাবনা করতে করতে বইটা লিখে ফেলি। কিন্তু সেই ম্যানুস্ক্রিপ্ট পাবলিশারের হাতে পৌঁছালে তিনি কাটাকাটি করে বহু কিছু ফেলে দিয়ে, বহু কিছু নতুন করে আমাকে দিয়েই লিখিয়ে নেন, তারপর সেটা এডিটোরিয়াল বোর্ড পার হয়ে একটা বই হয়। অনলাইন ভার্সনটাই হলো ম্যানুস্ক্রিপ্ট, আর প্রিন্ট বইটি হলো এডিটরের সঙ্গে মন-কষাকষির ফলাফল। ফলে প্রিন্ট বইতে সবকিছুকে আঁটোসাঁটো করে নিয়ে আসা হয়। আর এই অনলাইন বই হচ্ছে আমার প্রথম ম্যানুস্ক্রিপ্ট।
১. লুকিং ব্যাক: কী হয়েছিল?¶
দশ বছর আগের একটা আলাপ। ওই সময়ে সেনাবাহিনী আর বিটিআরসিতে লম্বা সময় চাকরি করার সুবাদে আমাকে সরকারের একটা হাই-টেক প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হলো। সেখানে কাজ করতে গিয়ে অনেকগুলো গ্লোবাল কোম্পানির সাথে পরিচয় হয় আমার, যারা আমাদের দেশে বিভিন্ন টেকনোলজিক্যাল সলিউশন ইন্টিগ্রেট করার চেষ্টা করছিল।
তখন একটা অদ্ভুত জিনিস খেয়াল করলাম। বাইরের দেশের তৈরি এই দামি সফটওয়্যার বা সলিউশনগুলো কেন যেন আমাদের বাংলাদেশে এসে ঠিকঠাক কাজ করতে পারে না। এর পেছনের কারণটা কিন্তু সিস্টেমের টেকনিক্যাল দুর্বলতা নয়; বরং আমাদের দেশের মানুষের মন-মানসিকতা এবং কাজের সম্পূর্ণ ভিন্ন পদ্ধতির সাথে ওদের স্ট্যান্ডার্ড ওয়ার্কফ্লোগুলো যায় না। আমাদের দেশের অফিশিয়াল ওয়ার্কফ্লো যেভাবে চলে, তার সাথে বিদেশি সিস্টেমগুলোর সেরকম মিল আনতে বেশ কষ্ট হতো। বিষয়টা নিয়ে আমি বেশ উদ্বিগ্ন থাকতাম যে, এত টাকা খরচ করে আনা এই সিস্টেমগুলো শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যাবে না তো?
ঠিক তখনই ওই গ্লোবাল কোম্পানিগুলোর লিড ইন্টেগ্রেটর একটা চমৎকার স্ট্র্যাটেজি অ্যাপ্লাই করল। তারা কোনো সাধারণ কোডার না পাঠিয়ে সরাসরি কিছু ফরওয়ার্ড-ডেপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ার (Forward-Deployed Engineer) আমাদের অফিসে পাঠিয়ে দিল। এই ব্রিলিয়ান্ট ইঞ্জিনিয়াররা আমাদের সাথে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর বসে কাজ করলেন। আমাদের প্রতিদিনের কাজের প্রসেস ঠিক কোথায় আটকে যাচ্ছে, আমাদের আসল পেইন পয়েন্ট কোনগুলো - সেগুলো তারা খুব কাছ থেকে অ্যানালাইসিস করলেন। এরপর তারা আমাদের একদম রিয়েল-লাইফ সমস্যার ওপর ভিত্তি করে কাস্টমাইজড কোড লিখে লিখে সমাধান দিতে শুরু করলেন। এর পাশাপাশি তৈরি করতে থাকলেন দেশীয় ফরওয়ার্ড-ডেপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ারদের। আমাদের খাবারদাবার খাওয়া শুরু করলেন। দামি হোটেল ছেড়ে কাছাকাছি একটা অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া করলেন। একদিন দেখি, আমাদের ডেনিশ সিস্টেম ইন্টিগ্রেটর আমাকে “কর্নেল ভাই” হিসেবে ডাকাডাকিও শুরু করল। কারণ ও বুঝতে পেরেছে - বাংলাদেশে সবাই ভাই-ভাই।
তাদের কাজ দেখে আমার কাছে পুরো বিষয়টা আস্তে আস্তে পরিষ্কার হতে থাকল। আমি তাদের 'সাইকোলজিক্যাল' গেমিফিকেশনের জিনিসগুলো বুঝতে থাকলাম।
২. মিলিটারি ডকট্রিন থেকে সিলিকন ভ্যালির প্যালান্টির¶
যেহেতু আমি সামরিক বাহিনী থেকে এসেছি, তাই 'ফরওয়ার্ড-ডেপ্লয়েড' শব্দটা আমার কাছে নতুন কিছু নয়। মিলিটারি স্ট্র্যাটেজিতে এই টার্মটা বহুল ব্যবহৃত। এর মানে হলো, যুদ্ধের দরকারে পুরো ইউনিট, ট্রুপস এবং দরকারি সাপ্লাই নিয়ে একদম কনফ্লিক্ট জোনের কাছাকাছি পজিশন নেওয়া। সেনাদের হেডকোয়ার্টার বা নিরাপদ ক্যান্টনমেন্টে বসিয়ে না রেখে সরাসরি রণাঙ্গনের ফ্রন্টলাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, যেকোনো আনএক্সপেক্টেড ঝামেলায় রেসপন্স টাইম অনেক কমে আসে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এড়িয়ে চোখের পলকে "অন গ্রাউন্ডে" থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় এবং মিশন সাকসেস করা সহজ হয়।
ঠিক এই মিলিটারি কনসেপ্টটাই সিলিকন ভ্যালির টেক দুনিয়ায় নিয়ে আসে প্যালান্টির টেকনোলজিস (Palantir Technologies) নামের একটা কোম্পানি, যা আজ ফরওয়ার্ড ডেপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ারিং বা সংক্ষেপে এফডিই (FDE) নামে পরিচিত।
গল্পটা ২০০৭-২০০৮ সালের দিকের। প্যালান্টির তখন ইউএস মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স এবং সিআইএ-র (CIA) জন্য 'গোথাম' (Gotham) নামের একটা খুব জটিল ডেটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছিল। কিন্তু প্রজেক্টটা ডেলিভারি দিতে গিয়ে তারা বিশাল বিপদে পড়ে: * প্রথমত, ডিফেন্সের ডেটাগুলো খুবই ক্লাসিফাইড এবং সিকিউরড জোনে থাকে, যা চাইলেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে সিলিকন ভ্যালির ল্যাবে বসে অ্যাক্সেস করা সম্ভব নয়। * দ্বিতীয়ত, প্রথাগত টেকনিক্যাল মডেলে তারা দুই ধরনের মানুষ দিয়ে কাজ করানোর চেষ্টা করছিল। একদল ছিলেন কনসালট্যান্ট, যারা মিলিটারির ডোমেইন এক্সপার্ট হলেও নিজেরা কোড লিখতে পারতেন না। আর অন্যদল ছিলেন সলিউশন ইঞ্জিনিয়ার, যারা বেসিক ইন্টিগ্রেশন করতে পারলেও মেইন প্রোডাক্টের কোর ডিজাইন পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখতেন না। ফলে সিআইএ-র বিশাল ডেটাবেজের সাথে সফটওয়্যারের ম্যাচিং করানো কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছিল না।
এই অচলাবস্থা কাটানোর জন্য প্যালান্টির একটা যুগান্তকারী থার্ড অপশন বেছে নিল। তারা ভাবল, ক্লায়েন্টের পেইন পয়েন্ট দূর করতে হলে এবং মিলিটারির কড়া সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্সের ঝামেলা এড়াতে হলে ইঞ্জিনিয়ারদের ডেস্কে বসে থাকলে চলবে না। তারা তাদের সেরা কিছু সফটওয়্যার জেনারেলিস্টকে সরাসরি ফোর্ট ব্র্যাগ বা ল্যাংলির সিআইএ সদর দপ্তরের মতো মিলিটারি বেসগুলোতে পাঠিয়ে দিল। আমি এগুলো জানি কারণ আমার ক্যাডেট কলেজের কয়েকজন বন্ধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভির সঙ্গেও এ ধরনের কাজ করেছেন।
প্যালান্টিরের চিফ টেকনোলজি অফিসার এই পজিশনটার নাম দিলেন ফরওয়ার্ড ডেপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ার। তিনি এই বিশেষ ইঞ্জিনিয়ারদের ডিফাইন করতে গিয়ে একটা দারুণ কথা বলেছিলেন - এরা হলো এমন একদল মানুষ, যারা ক্লায়েন্টের কষ্ট বা পেইন মেটাবলাইজ করে প্রোডাক্ট 'এক্সক্রিট' করে। অর্থাৎ, যত কঠিন পরিস্থিতিই হোক না কেন, তারা লাইভ ফিল্ডে বসে কোড লিখে সমস্যার ইনস্ট্যান্ট সমাধান বের করে আনবে।
৩. ইকো ও ডেল্টা টিম: ফিল্ড থেকে মেইন ল্যাবের যোগসুত্র¶
এই এফডিই টিমগুলো মিলিটারির ভেতরে 'এমবেডিং' হয়ে চমৎকারভাবে কাজ নামাচ্ছিল। বিভিন্ন দুর্গম যুদ্ধক্ষেত্রে যেখানে বোমা হামলার প্যাটার্ন ট্র্যাক করা দরকার কিংবা বায়োমেট্রিক ডেটা অ্যানালাইসিস করা দরকার, সেখানে এই 'এমবেডেড' ইঞ্জিনিয়াররা সেনাদের পাশে বসে রাফ অ্যান্ড টাফ কোডিং করতেন। তারা ক্লায়েন্টের রিয়েল-লাইফ ফিডব্যাক নিয়ে সেই রিকোয়ারমেন্টগুলো পালো আলতোতে (Palo Alto) থাকা মেইন ল্যাবে পাঠাতেন। এর ফলে ফিল্ডের একটা ছোট ট্যাকটিক্যাল সলিউশন খুব দ্রুত মেইন সফটওয়্যারের একটা স্ট্যান্ডার্ড ফিচারে রূপান্তরিত হতো।
এই কাজের জন্য তারা টিমগুলোকে 'ইকো' (Echo) এবং 'ডেল্টা' (Delta) - এই দুই ভাগে ভাগ করে নিতেন: * ইকো টিম: ডোমেইনের ভেতরের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো এবং ইউজারের আসল কাজের প্রবাহ বুঝত। * ডেল্টা টিম: যেকোনো প্রতিকূল পরিবেশে বসে সরাসরি কোড লিখে প্রজেক্টের সাকসেস নিশ্চিত করত।
সময়ের সাথে সাথে প্যালান্টিরের এই সফল মডেলটা পুরো টেক ইন্ডাস্ট্রিতে এক বিশাল ট্রেন্ড তৈরি করেছে। ২০১৫ সালের দিকেও এই এফডিই মার্কেটের প্রায় ৮৩ পার্সেন্ট হায়ারিং একচেটিয়াভাবে প্যালান্টির করত। কিন্তু ২০২৫-২০২৬ সালের দিকে এসে দেখা যাচ্ছে, তাদের শেয়ার ২০ পার্সেন্টের নিচে নেমে এসেছে। এর কারণ কিন্তু প্যালান্টির ছোট হয়ে যাওয়া নয়; বরং বর্তমান টেক ওয়ার্ল্ডে ফরওয়ার্ড ডেপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ারিং মডেলটার ব্যাপক পপুলারিটি। আমাদের কোম্পানিও বাংলাদেশে এখন এটা নিয়ে কাজ করছে।
আজকের জেনারেটিভ এআই-এর যুগে ওপেনএআই (OpenAI) কিংবা অ্যানথ্রপিকের (Anthropic) মতো টপ-টায়ার এআই ল্যাবগুলো তাদের নিজস্ব বিশাল এফডিই ডিভিশন তৈরি করেছে। কারণ এআই মডেলগুলো সাধারণ সফটওয়্যারের মতো লিনিয়ার নয়; এগুলোকে একেকটা এন্টারপ্রাইজের নিজস্ব ডেটা স্ট্যাকের সাথে মেলানোর জন্য 'গভীর' কাস্টমাইজেশনের দরকার হয়। র্যাম্প (Ramp)-এর মতো ফিনটেক জায়ান্ট কিংবা এডাব্লুএস (AWS) এবং গুগল ক্লাউডের মতো হাইপারস্কেলার কোম্পানিগুলোও এখন কাস্টমার অ্যাকাউন্টেবিলিটি বাড়ানোর জন্য রেগুলার সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং প্রসেসের পাশাপাশি আলাদাভাবে এফডিই পড নামাচ্ছে।
৪. আমাদের কোম্পানিগুলোতে কী ঘটছে এবং কেন এই বই?¶
এবার আমাদের দেশের সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোর কিছু পরিচিত দৃশ্যে ফিরে আসি। ধরুন, আপনি একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে কাজ করছেন। নিজের অফিসের হেডকোয়ার্টারে বসে যখন কোড লেখেন, তখন সবকিছুই একটা সিস্টেমের (মানে জানা সিস্টেমের) ভেতরে চলে। আপনি যখন টেস্টিং করেন, সেই টেস্টিংও খুব ভালো লেভেলের আউটপুট দেয়। আপনার কিউএ টেস্টিং, ফিচার টেস্ট - সবকিছু সেরে যখন আমরা ফাইনালি ডেলিভারির জন্য সিস্টেমটা তৈরি করি, তখনও দেখা যায় প্রতিটা ইউনিট টেস্ট গ্রিন।
কিন্তু আসল ধাক্কাটা লাগে তিন-চার মাস পর। ক্লায়েন্টের অফিসে সবকিছু বুঝিয়ে দিয়ে আসার পর, তিন-চার মাস বাদে আবার যখন খোঁজ নিতে যাই, দেখা যায় ওই সফটওয়্যারের অনেক ফিচারই ক্লায়েন্ট ব্যবহার করছেন না। উল্টো কিছু ফিচার নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, কারণ সেগুলো তাঁদের রোজকার কাজের সাথে মিলছে না। ফাইনালি, যখন দেখি আপনার তৈরি করা সফটওয়্যার থেকে তাঁরা ধীরে ধীরে সরে গিয়ে আগের মতো লাল মলাটের খাতায় হিসাব রাখছেন, অথবা পাশের কোনো স্টাফের কম্পিউটারে সেভ করা পুরনো এক্সেল ফাইলে কপি-পেস্ট করছেন, তখন আমরা আমাদের লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে সরে যাই। ক্লায়েন্ট কোম্পানিও ধাক্কা খায়। ওই জন্যই এফডিই।
সোজা কথায়, ফরওয়ার্ড ডেপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এসি রুমে বসে থিওরিটিক্যাল কোড লেখার ট্র্যাডিশনাল লাইফস্টাইল থেকে বের হয়ে, মিলিটারির মতো কাদাপানির মধ্যে নেমে সরাসরি মানুষের লাইফ টাচ করার এক রোমাঞ্চকর জার্নি। ফ্রন্টএন্ড, ব্যাকএন্ড আর মিডলওয়্যারের চেনা গণ্ডি পেরিয়ে কাস্টমারের প্রতিদিনের ঝামেলাগুলোকে সিস্টেম আর্কিটেকচারের সাথে মিলিয়ে তাঁর লাইফ সহজ করাই এই বইয়ের মূল লক্ষ্য। কারণ কাস্টমার যদি সিস্টেমে কমফোর্ট না পান এবং তাঁর আসল সমস্যাটা না মেটে, তবে আমাদের পুরো ডেভেলপমেন্টই ব্যর্থ। তবে এই ঝামেলা সবাই নিতে পারেন না (সবাই কাস্টমার-সেন্ট্রিক হতে পারেন না, অর্থাৎ নিজের ডেস্ক ছেড়ে কাস্টমারের সঙ্গে সময় কাটানো সহজ নয়); যারা পারেন, তাদের বেতন আকাশচুম্বী। গুগল করে দেখুন, পুরো পৃথিবী এখন ফরওয়ার্ড ডেপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ারিং শিখছে।
যাঁরা রিয়েল ওয়ার্ল্ডের চ্যালেঞ্জ ভালোবাসেন এবং প্রযুক্তি, এআই ও অটোমেশন দিয়ে সত্যিকারের ইমপ্যাক্ট তৈরি করতে চান, টেক দুনিয়ার এই নতুন ফ্রন্টলাইন তাঁদের জন্যই অপেক্ষা করছে।
এই বইয়ে কী থাকছে?¶
- মাস্টার ব্লুপ্রিন্ট: বইয়ের বিস্তারিত আউটলাইন দেখতে পড়ুন মাস্টার ব্লুপ্রিন্ট।
- ফিল্ড ডিসকাভারি: অফিসের অফিশিয়াল এসওপির পেছনের গল্প, মাপার মতো সাকসেস মেট্রিক্স ও শ্যাডো সেশনের কলাকৌশল।
- লোকাল আর্কিটেকচার: ক্লাউডে ডেটা না পাঠিয়ে সাধারণ অফিস সার্ভারে ফ্রি লোকাল এলএলএম (Qwen 2.5) চালানোর বাস্তব কোড।
- দ্য নিউ এসডিএলসি: এআই কোডিং এজেন্ট (ডিপসিক, ওপেনকোড হারনেস), ইভ্যালুয়েশন হারনেস এবং সেলফ-হিলিং সিআই/সিডি রোলব্যাক পাইপলাইন।
- বাস্তব কেস স্টাডি: ঢাকার আইএসপি টিকিট অটোমেশন এবং চট্টগ্রাম পোর্টের সাপ্লাই চেইন ইনভয়েস রিকনসিলিয়েশন।
- কোড-স্যান্ডউইচ মেথড: প্রতিটা কোর চ্যাপ্টারে ১৫-২০ লাইনের কার্যকরী 'বেসিক' নুন্যতম কোড (যেগুলোকে এক্সটেন্ড করা যাবে আপনাদের প্রয়োজন অনুযায়ী), যা নিজের ল্যাপটপে সরাসরি রান করা যাবে। আমি আপনাদেরকে পাইথনে সাবলীল থাকার জন্য অনুরোধ করবো। তবে লজিক্যাল জিনিসটা ধরার চেষ্টা করুন।
টেবিল অফ কনটেন্ট ও সামারি¶
| চ্যাপ্টার | বিষয়বস্তু | পেজ টার্গেট |
|---|---|---|
| মাস্টার ব্লুপ্রিন্ট | বইয়ের সম্পূর্ণ আউটলাইন | রেফারেন্স |
| ইন্ট্রোডাকশন | গ্রাউন্ড রিয়েলিটি এবং কাস্টমারের স্টোরি | ১৫ পেজ |
| চ্যাপ্টার ১ | ফিল্ড ডিসকাভারি ও এসওপি অডিট | ৩০ পেজ |
| চ্যাপ্টার ২ | লোকাল আর্কিটেকচার ও অন-প্রেম ইন্টেলিজেন্স | ৩৫ পেজ |
| চ্যাপ্টার ৩ | দ্য নিউ এসডিএলসি ও রেজিলিয়েন্ট পাইপলাইন | ৩৫ পেজ |
| চ্যাপ্টার ৪ | ফিল্ড প্লেবুক ইন অ্যাকশন - বাস্তব কেস স্টাডি | ৪৫ পেজ |
| চ্যাপ্টার ৫ | এফডিই অর্গানাইজেশন স্কেলিং ও ক্যারিয়ার রোডম্যাপ | ২৫ পেজ |
| কনক্লুশন | পারফেক্ট হ্যান্ডওভার ও ফিউচার প্রুফিং | ১৫ পেজ |
| অ্যাপেন্ডিক্স | ফিল্ড চেকলিস্ট ও গিটহাব গাইড | রেফারেন্স |
বইটির সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স কোড ও মক ল্যাব এনভায়রনমেন্টের জন্য যুক্ত থাকুন Companion Code Repository এবং Book Repository-এ।
আমার সাথে কথা বলতে চান?
আমাকে WhatsApp এ মেসেজ করতে পারেন: +8801713095767। আমি যেহেতু রোবট, কল থেকে মেসেজেই বেশি অভ্যস্ত। আমার সব আলাপ মিডিয়াম, ফেসবুক আর লিংকডইনে পাবেন। ভিডিও দেখতে চাইলে আছে ইউটিউব।
আমার মাথায় আর কী কী ঘোরে, সেটাও পাবেন এখানে।
এখানে পাবেন আমার লেখা বিভিন্ন রিসোর্স, আমি কে এবং প্রিন্ট মিডিয়াতে আমার কিছু লেখা।